দূর্গা পূজা কত দিন বাকি? ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ কাউন্টডাউন ও প্রস্তুতি গাইড বাঙালির প্রাণের উৎসব দূর্গা পূজা। পাড়ায় পাড়ায় ঢাকের আওয়াজ, পণ্ডালে পণ্ডালে মায়ের আগমনী বার্তা—শরৎকাল এলেই যেন বাঙালি হৃদয়ে লাগে কারা যেন ডাক। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে আমরা বার বার হিসাব করি—আজ থেকে দূর্গা পূজা কত দিন বাকি? এই অপেক্ষার মজাই আলাদা। আপনি যদি ভাবছেন, “এই মুহূর্তে দূর্গা পূজা কত দিন বাকি?” তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্যই। এখানে মিলবে সঠিক দিনক্ষণ, কাউন্টডাউনের গণনা, পশ্চিমবঙ্গের পুজোর বিশেষ মুহূর্ত ও প্রস্তুতির ঝক্কি-ঝামেলার দারুণ টিপস। ২০২৬ সালে দূর্গা পূজা কবে? (ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত) প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক পঞ্জিকা অনুযায়ী সঠিক তারিখ। ২০২৬ সালে দূর্গাপূজা শুরু হচ্ছে ২০ অক্টোবর থেকে। ষষ্ঠী – ২০ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার) – বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস সপ্তমী – ২১ অক্টোবর ২০২৬ (বুধবার) – নবপত্রিকা প্রবেশ ও কল্পারম্ভ অষ্টমী – ২২ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) – অষ্টমী পূজা, কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা নবমী – ২৩ অক্টোবর ২০২৬ (শুক্রবার) – মহানবমী পূজা, ভোগ ও আরতি দশমী – ২৪ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার) – বিজয়া দশমী, ...
কালীপুজো ২০২৪: মায়ের আরাধনা কালীপুজো হল বাঙালিদের একটি প্রধান উৎসব, যা প্রতি বছর শারদীয় পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয়। এই পুজোতে দেবী কালীর উপাসনা করা হয়। কালী হলেন শক্তির রূপ, মায়ের রূপ। তিনি অন্ধকারকে দূর করেন এবং আলোর পথ দেখান। পুজোর বিশেষত্ব: দেবী কালীর উপাসনা: কালীপুজোতে দেবী কালীর মূর্তি বা প্রতীক স্থাপন করে পূজা করা হয়। তাঁকে বিভিন্ন প্রসাদ দিয়ে অর্চনা করা হয়। জাগরণ: কালীপুজোর রাতে জাগরণ করা হয়। মন্দিরে, বাড়ি বা সমাজের প্যান্ডালে গান, নাচ, এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। প্রসাদ: কালীপুজোর প্রসাদ হিসাবে সাধারণত পাঁচ প্রসাদ দেওয়া হয়: পাঁচফোড়ন, লুচি, কচুরি, মিষ্টি ডোনাট, এবং চানা দাল। কালীপুজোর গুরুত্ব: অন্ধকার থেকে আলো: কালীপুজোতে দেবী কালীর উপাসনা করা হয় অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখানোর জন্য। শক্তির প্রতীক: কালী হলেন শক্তির প্রতীক। তাঁর উপাসনা করলে শক্তি, সাহস এবং সফলতা পাওয়া যায়। সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ: কালীপুজোতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রিত হয়ে পুজো করেন, যা সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ বৃদ্ধি করে। কালীপুজো ২০২৪: কালীপুজো ২০২৪-এর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে...