Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2026

Featured Post

August 15, 2026: A Global Tapestry of Independence, Faith, and Celebration

  August 15, 2026: A Global Tapestry of Independence, Faith, and Celebration August 15, 2026, is a Saturday packed with global significance—India's 80th Independence Day, the Assumption of Mary, National Liberation Day of Korea, and countless festivals worldwide. Discover what makes this date extraordinary. 1. Introduction Mark your calendars. Circle the date. August 15, 2026, is not just another Saturday. For billions of people across the globe, this single day carries profound meaning. In India, it marks the 80th anniversary of freedom from British rule—a day of pride, reflection, and celebration. In South and North Korea, it commemorates liberation from Japanese colonial rule. In Liechtenstein, it is National Day, blending faith and monarchy. For Catholics worldwide, it is the Solemnity of the Assumption of the Blessed Virgin Mary. And for countless others, it is a day of community festivals, music concerts, sporting events, and cultural celebrations. This article explores the r...

বুড়িমাতা মন্দির: বেলডাঙার বুকে লাল পাটির ঠাকুরাণী

  বুড়িমাতা মন্দির: বেলডাঙার বুকে লাল পাটির ঠাকুরাণী বেলডাঙা শহরের মাঝখানে দাঁড়ালে, চারদিকে শুধু গাড়ির শব্দ। দোকানের সাইনবোর্ড। চায়ের স্টল। মানুষের ভিড়। গরমের দুপুরে ধুলো উড়ছে। অথচ একটু বাঁক নিলেই, যেন অন্য এক জগতে পা বাড়ালে। আমি কথা বলছি বুড়িমাতার মন্দিরের কথা। অনেকেই বলেন, বেলডাঙার প্রাণ যদি কোথাও স্পন্দিত হয়, সেটা এই মন্দিরের চাতালেই। কারণ শহর বদলায়। চেহারা বদলায়। ইট-পাথরের দোকান গজায়। মানুষ পাল্টায় চেনা-জানা। কিন্তু বুড়িমাতা ঠিক একই রকম থাকেন। রোজ সকালে তাঁর ঘুম ভাঙে মৃদু ঘণ্টাধ্বনিতে। শহরের ফুসফুস যদি কিছু হয়, তবে তা এই মন্দির প্রায় সব পুরনো বাঙালি শহরের গল্পের মতো, বেলডাঙাও একসময় গড়ে উঠেছিল নদী, বাজার আর মন্দিরকে কেন্দ্র করে। সেই আদি বেলডাঙা আজ অস্তিত্ব হারিয়েছে অনেকটাই। পুরনো জমিদারবাড়ির দেওয়ালের কিছু অংশ এখন পড়ে আছে এলোপাতাড়ি। এক সময়ের বিস্তীর্ণ পুকুর ভরাট হয়ে গেছে অর্ধেক। কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব না থাকলেও, বুড়িমাতা মন্দির অটুট আছে। এটাকে আপনি সরকারি মানচিত্রের ‘বুক করা’ পর্যটনকেন্দ্র বলতে পারবেন না। এখানে গাইড মিলবে না। কোনো টিকিট কাউন্টার নেই। তবে ক’জন বেল...

কপিলেশ্বর শিব মন্দির

কপিলেশ্বর শিব মন্দির: যে পাথর স্পর্শ করেছে অষ্টম শতাব্দী বেলডাঙার কথা বললেই প্রথমে নাম আসে মা দুমনির। কিন্তু এই শহরের বুকে আরেকটি মন্দির আছে, যাকে দেখলে মনে হবে সময় থমকে দাঁড়িয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নীরব সাক্ষী হয়ে আছে—সেই কপিলেশ্বর শিব মন্দির, শক্তিপুরে। যাওয়া যায় খুব সহজে। বেলডাঙা শহর থেকে কিছুটা এগোলেই শক্তিপুর। চারদিকে সবুজ, হিজল-বটের ছায়া, শান্ত গেঁয়ো পরিবেশ। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েই চোখে পড়ে একটা মন্দির। ছোটো। কিন্তু দাঁড়ানোর ভঙ্গিটা যেন রাজকীয়। পা রাখতেই যেন সময়ের গন্ধ পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকেরা যা বলেন শুনতে কি আশ্চর্য লাগে? এই মন্দিরের শিবলিঙ্গের বয়স প্রায় সাড়ে বারোশো বছর! হ্যাঁ, একেবারে অষ্টম শতাব্দী—খ্রিস্টীয় ৮৮৭ সাল। তখন এ দেশে পাল রাজবংশের শাসন। বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের জয়যাত্রা। তবু এখানে তৈরি হয়েছিল এক শিবলিঙ্গ। এখন প্রশ্ন জাগে—কীভাবে নিশ্চিত হলেন গবেষকেরা? কে বলল এই পাথরটির বয়স এত? প্রত্নতাত্ত্বিকেরা নির্ভর করেছেন পাথরের গঠন আর খোদাইশৈলী দেখে। কোষ্টি পাথরের সেই বিশেষ চেহারা। মূর্তির আঙ্গিক। তলায় লেখা কিছু প্রাচীন লিপি (অনেকটা মিলে যায়)। আর অবশ্যই, স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ফে...

maa dumni tala nawpukuria west bengal

  মা ডুমনি তলা নওপুকুরিয়া: ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলনস্থল মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা ব্লকে অবস্থিত ‘মা দুমনি তলা নওপুকুরিয়া’ শুধু একটি মন্দির নয়; এটি যেন ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা আর গ্রামবাংলার অমায়িক আবহের এক অপূর্ব মিলনমেলা। দেবী ডুমনি বা ডোম্বিনী নামটি তন্ত্রসাধনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি আর বিলের জলে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের সন্ধান আজও কৌতূহলী করে তোলে দর্শনার্থীদের। কয়েক শতাব্দী প্রাচীন এক প্রকান্ড বটবৃক্ষের নীচে, হিজল গাছের অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা হয়ে বসে আছে দেবী ডুমনি। ফেসবুক পেজ ‘মা ডুমিনি তলা-নওপুকুরিয়া’-তে চোখ রাখলেই চোখে পড়ে এই মায়াবী পরিবেশের কিছু অসাধারণ ছবি ও ভিডিও, যেখানে গাছের ছায়া ও আলোর খেলা দর্শককে মুগ্ধ করে । অবস্থান ও বর্ণনা প্রাচীন গৌড়ের খুব কাছাকাছি, বাগড়ি অঞ্চলের ডুমনীদহ বিলের পাড়ে নওপুকুরিয়া গ্রামে এই মন্দিরটির অবস্থান । মন্দিরটি যেন সময়ের আবর্তনে অবিচল। চারদিকে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এলাকার ভিতরে একটি চাতালের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এই প্রাচীন বটবৃক্ষ। গাছটির ঝুরিগুলো এতই বড়ো যে, অনেক দূর থেকে দেখলে মনে হবে গাছটি শিকড়ের জালে আচ্ছন্ন, সবুজের সা...